person
!
প্রোফাইল আপডেট

পড়াশোনায় মন না বসার কারণ এবং এর প্রতিকার কী?

22 জুন 2023 "মনস্তত্ত্ব ও মানসিক রোগ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (অতিথি) (6 পয়েন্ট) 223 বার প্রদর্শিত
আমি ছোট থেকে অনেক ভালো স্টুডেন্ট ছিলাম। রোল ১-৩ এর মধ্যেই থাকতো। কিন্তু Covid-19 এর সময় প্রায় ৩ বছর গ্যাপের কারণে এখন আর পড়ালেখায় মন বসতেই চায় না। মনে হয় শুধু আমি তো ভালো স্টুডেন্ট পরে পড়লেই হবে। এভাবে চলতেই থাকে কিন্তু পড়া হয় না। রেজাল্ট ও ধীরে ধীরে প্রচুর খারাপ হচ্ছে। "আমি ভালো স্টুডেন্ট" এই ধারণাটি অনেক বার মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করেছি কিন্তু পারছি না। বারবার মনে মন হয় আমার সাথে কেউ পারবে না কিছু দিন পরেই ঠিকমতো লেখাপড়া শুরু করবো।এখন আমি ক্লাস 9 এ পড়ি। সামনে SSC তাও আমার পড়ালেখায় মন বসছে না। পড়তে বসলেই মন অন্যদিকে চলে যায়,বিভিন্ন ভাবনা মাথয় ঘুরপাক খেতে থাকে। এমনকি পরিক্ষার সময়ও আমি পড়তে বসি না এখন!বসলেও পড়া হয় না একটুও!! এখন এই সব কিছু থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় কী? জানালে উপক্রিত হতাম!!!

{আমার কিছু সমস্যার মধ্যে অন্যতম হলো আমি বেশি কল্পনা করি, এটাও বন্ধ করার অনেক চেষ্টা করেছি তবে বারবার ব্যর্থ হয়েছি।}

লিংক কপি হয়েছে!

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পড়াশোনায় মন বসানোর উপায়


তোমার সমস্যাটা অনেক স্টুডেন্টের মধ্যে কমন, বিশেষ করে কোভিডের পর। ছোট থেকে ভালো রেজাল্ট করা স্টুডেন্টরা প্রায়ই এমন ওভারকনফিডেন্সে ভোগে, যেটা প্রক্রাস্টিনেশন বাড়িয়ে দেয়। আর অতিরিক্ত কল্পনা বা মন চলে যাওয়া তো কনসেনট্রেশনের বড় শত্রু। চলো, ধাপে ধাপে কিছু প্র্যাকটিক্যাল উপায় বলি যা তুমি চেষ্টা করে দেখতে পারো। এগুলো একদিনে কাজ করবে না, কিন্তু কনসিসটেন্টলি ফলো করলে পরিবর্তন আসবে।



১. পাস্টের ধারণা থেকে মুক্ত হওয়া


  • রিয়ালিটি চেক করো: প্রতিদিন সকালে বা পড়তে বসার আগে একটা জার্নালে লেখো—আজকের রিয়ালিটি কী? উ- "আমি আগে ভালো ছিলাম, কিন্তু এখন গ্যাপের কারণে চ্যালেঞ্জ ফেস করছি। পরে পড়বো ভেবে আরও খারাপ হচ্ছে।" এটা লিখে নিজেকে রিমাইন্ড করো যে "ভালো স্টুডেন্ট" লেবেলটা এখনকার পারফরম্যান্সের উপর নির্ভর করে, পাস্টের উপর নয়।
  • ছোট সাকসেস তৈরি করো: "আমার সাথে কেউ পারবে না" ভাবনাটা ঝেড়ে ফেলতে, ছোট টার্গেট সেট করো। যেমন, আজ শুধু ১০ মিনিট পড়বো। সাকসেস হলে নিজেকে রিওয়ার্ড দাও (যেমন, ফেভারিট স্ন্যাকস খাওয়া)। এতে ধীরে ধীরে কনফিডেন্স রিয়ালিস্টিক হয়ে উঠবে।


২. readings-এ মন বসানো


  • পমোডোরো টেকনিক ট্রাই করো: ২৫ মিনিট পড়ো, তারপর ৫ মিনিট ব্রেক। একটা টাইমার অ্যাপ ইউজ করো (যেমন, Focus Booster বা সিম্পল টাইমার)। প্রথমে ১০ মিনিট দিয়ে শুরু করো যদি ২৫ মিনিট কঠিন লাগে। ব্রেকে কিছু করো না যাতে মন আবার ডিসট্র্যাক্ট হয়, যেমন স্ট্রেচিং বা ওয়াটার খাওয়া।
  • ডিসট্রাকশন ফ্রি জোন তৈরি করো: পড়ার জায়গায় ফোন, সোশ্যাল মিডিয়া দূরে রাখো। অ্যাপস ইউজ করো যেগুলো ওয়েবসাইট ব্লক করে (যেমন, Freedom বা StayFocusd)। পড়তে বসার আগে একটা রুটিন তৈরি করো—যেমন, ডেস্ক ক্লিন করা, ওয়াটার বোতল রাখা—এটা মাইন্ডকে সিগন্যাল দেয় যে এখন পড়ার সময়।
  • অ্যাকটিভ লার্নিং করো: শুধু পড়া নয়, নোট নাও, কোশ্চেন প্র্যাকটিস করো বা নিজেকে কুইজ করো। এতে মন চলে যাওয়ার চান্স কমবে। যদি কোনো চ্যাপ্টার বোরিং লাগে, সেটাকে গেমাইফাই করো—যেমন, টাইমার সেট করে কতটা শিখতে পারো চ্যালেঞ্জ নাও।


৩. অতিরিক্ত কল্পনা বা ভাবনা কন্ট্রোল করা


  • মাইন্ডফুলনেস প্র্যাকটিস: প্রতিদিন ৫-১০ মিনিট মেডিটেশন করো। অ্যাপস যেমন Headspace বা Calm-এ ফ্রি গাইডেড সেশন আছে। শুরুতে সিম্পল: চোখ বন্ধ করে শ্বাস নিয়ে ফোকাস করো। যখন কল্পনা আসে, সেটাকে নোট করো (যেমন, "আমি কল্পনা করছি") এবং আস্তে আস্তে শ্বাসে ফিরে যাও। এটা বারবার চেষ্টা করলে কন্ট্রোল বাড়বে।
  • ভাবনা ডাম্পিং: পড়তে বসার আগে ৫ মিনিট একটা পেপারে সব ভাবনা লিখে ফেলো। যেমন, "আজকের ওয়ারি লিস্ট"। এতে মাথা ক্লিয়ার হয়ে যায় এবং কল্পনা কমে।
  • ফিজিক্যাল অ্যাকটিভিটি: প্রতিদিন ১৫-২০ মিনিট ওয়াক বা এক্সারসাইজ করো। এটা মাইন্ডকে ফ্রেশ করে এবং অতিরিক্ত কল্পনা কমায়।


৪. লং-টার্ম স্ট্র্যাটেজি


  • গোল সেট করো SSC-এর জন্য: বড় গোল ভেঙে ছোট করো। যেমন, এই সপ্তাহে ম্যাথের ২টা চ্যাপ্টার শেষ করবো। একটা স্টাডি প্ল্যান তৈরি করো এবং ফ্রেন্ড বা ফ্যামিলির সাথে শেয়ার করো—এতে অ্যাকাউন্টেবিলিটি বাড়বে।
  • হেল্প নাও: যদি এগুলো চেষ্টা করেও না হয়, স্কুল কাউন্সেলর বা প্যারেন্টসের সাথে কথা বলো। কখনো কখনো এটা ADHD বা অ্যাঙ্গজাইটির সাইন হতে পারে, তাই প্রফেশনাল অপিনিয়ন নেওয়া ভালো।
  • পজিটিভ হ্যাবিট বিল্ড করো: প্রতিদিনের সাকসেস ট্র্যাক করো। একটা অ্যাপ যেমন Habitica ইউজ করো, যেটা হ্যাবিটকে গেমের মতো করে।


তুমি ইতিমধ্যে চেষ্টা করেছো, সেটা ভালো সাইন—এখন কনসিসটেন্সি রাখো। শুরুতে কঠিন লাগবে, কিন্তু ১-২ সপ্তাহ পর দেখবে পরিবর্তন। যদি আরও স্পেসিফিক টিপস চাও, বলো!


13 নভেম্বর 2025 উত্তর প্রদান করেছেন (অতিথি) (12 পয়েন্ট)
13 নভেম্বর 2025 সম্পাদিত করেছেন

সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি উত্তর
15 অগাস্ট 2022 "মাধ্যমিক পড়াশোনা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Ariyan Khan Habil (জ্ঞানী) (720 পয়েন্ট)
1 উত্তর
01 ফেব্রুয়ারি 2021 "অ্যান্ড্রয়েড" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন TUFAZZAL ISLAM (নবীন) (89 পয়েন্ট)
3 টি উত্তর
09 মার্চ 2020 "মতামত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন MdAUKhan (বিশারদ) (3,545 পয়েন্ট)
0 টি উত্তর
12 ডিসেম্বর 2019 "ইন্টারনেট" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Md Mostafa Sk (গুণী) (179 পয়েন্ট)

18,654 টি প্রশ্ন

19,525 টি উত্তর

2,578 টি মন্তব্য

103,471 জন সদস্য

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

এক প্ল্যাটফর্মে কন্টেন্ট/লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি আর ফ্রী প্রমোশন!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার ধারণাটাই বদলে দিবে! (পড়ুন...)

আপনি কি জানেন—প্রতি সেকেন্ডে কারও না কারও লেখা চুরি হচ্ছে? আপনার লেখাগুলো কি নিরাপদ? যখন লেখা ছড়িয়ে থাকে—সোশ্যাল মিডিয়া, ব্লগ কিংবা সংবাদপত্রে—হযবরল অগোছালো অবস্থায়… তখন একদিকে চুরির ভয়, অন্যদিকে লেখক হারান নিজের পরিচয়। প্রমাণও থাকে না। পাঠকও বা কিভাবে পাবে মূল লেখকের সংস্পর্শ?

ই-নলেজ আইডিয়া—আপনার কেন্দ্রীয় লেখালেখির ঠিকানা। প্রতিটি লেখার জন্য থাকছে ভেরিফাইড পোষ্ট আইডি (eID), আর আপনার জন্য কেন্দ্রীয় লেখক আইডি নম্বর—যেটা ব্যবহার করতে পারেন Bio, CV, কিংবা বই-র রেফারেন্সে। আর ই-আইডি(eID) জুড়ে দিবেন প্রতিটি লেখার সঙ্গে। (যেমন- পোষ্ট eID: ১২৩ ; #eID_123 #enolej)। ফলে কপিরাইট সুরক্ষা থাকবে নিশ্চিত, আর পাঠক থাকবে মূল লেখকের সংস্পর্শে। আর ভেরিফাই হলে করতে পারবেন আপনার পেজ কিংবা ব্লগ এর ফ্রী প্রমোশন!

আপনার লেখক প্রোফাইলেই থাকবে আপনার আর্কাইভ—সব লেখা, ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি আর পাঠকের প্রতিক্রিয়া সুশৃঙ্খলভাবে গোছানো।

এখানে আপনি একা নন, পাচ্ছেন লেখক কমিউনিটি। বিভিন্ন জায়গায়, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে হাজারো লেখক ছড়িয়ে থাকলেও কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম একটাই—যেখানে আপনার স্বত্ব, স্বীকৃতি আর অবস্থান সুরক্ষিত। কেউ কারও eID নকল করতে পারবেনা, কেন্দ্রীয় সোর্স একটাই। এখানেই থাকছে লেখক র‍্যাংক—যেখানে তুলনায় ঝলমল করে উঠবে আপনার কৃতিত্ব।

এটাই আপনার কেন্দ্রীয় ঠিকানা। ভেরিফাই করুন আজই—আপনার লেখাকে দিন স্থায়ী সুরক্ষা।

বিস্তারিত পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

ই-নলেজ কুয়েরি বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট। এখানে আপনি প্রশ্ন-উত্তর করার মাধ্যমে নিজের সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি দিতে পারেন অন্যদের সমস্যার নির্ভরযোগ্য সমাধান! বিভিন্ন ব্যক্তিগত সমস্যা, পড়ালেখা, ধর্মীয় ব্যাখ্যা, বিজ্ঞান বিষয়ক, সাধারণ জ্ঞান, ইন্টারনেট, দৈনন্দিন নানান সমস্যা সহ সকল বিষয়ে প্রশ্ন-উত্তর করতে পারবেন! প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে বাংলা ভাষায় উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য!
তাই আজই যুক্ত হোন ই-নলেজে আর বাড়িয়ে দিন আপনার জ্ঞানের গভীরতা...!
Empowering Novel Learners with Joy (Enolej)


...