person
!
প্রোফাইল আপডেট

আপনার কাছে বন্ধু/বন্ধুত্ব এর মানে কী?

22 ডিসেম্বর 2020 "মতামত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (পন্ডিত) (12,493 পয়েন্ট) 640 বার প্রদর্শিত

লিংক কপি হয়েছে!

1 উত্তর

1 টি পছন্দ 0 অপছন্দ
বন্ধু হলো জীবনের অক্সিজেনের মতো। যে কথা কাউকে বলা যায় না, সেই গোপন কথার ঝাঁপি নিশ্চিন্তে খুলে দেয়া যায় বন্ধুর সামনে। বন্ধু কখনো শিক্ষক, কখনো সকল দুষ্টুমীর একমাত্র সঙ্গী। বন্ধু মানে বাঁধ ভাঙা উচ্ছাস আর ছেলেমানুষী হুল্লোড়। সব ধরণের মানবিকতা বোধ ছাপিয়ে বন্ধুত্বের আন্তরিকতা জীবনের চলার পথে অন্যতম সম্পদ। আবার সামান্য ভুল বোঝাবুঝি থেকে সহসাই বন্ধুত্বের সম্পর্কে ফাটল ধরতে দেখা যায়! যে ব্যাপারটা সামান্য আলোচনার মাধ্যমেই মিটে যেতো, তাকে বছরের পর বছর মনের মধ্যে পুষে রেখে বন্ধুত্ব নষ্ট হবার দৃষ্টান্তও নিতান্ত স্বল্প নয়। বন্ধুত্বে বিশ্বাস রাখুন। তৃতীয় কোন পক্ষের বক্তব্যের জের ধরে সম্পর্কে ফাটল ধরাবেন না। বন্ধুর কোন কিছু অপছন্দ হলে অন্যের কাছে সমালোচনা না করে সরাসরি বলুন। শুনতে তিক্ত হলেও ফলাফল মধুর হবে। বন্ধুত্বে সৎ থাকুন। মিথ্যা তথ্য কিংবা ধারণা দিয়ে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়বেন না। আপনি যা সেটাই প্রকাশ করুন। অযথা কৃত্রিমতা বর্জন করে নিজের ব্যাক্তিত্বকে প্রদর্শন করুন। মনের মতো বন্ধু পেতে সততার কোন বিকল্প নেই। সততা প্রিজারভেটিভ ছাড়াই সম্পর্কের বৃক্ষকে সতেজ রাখে। ‘বন্ধু’ শব্দটি যতই ছোট হোক, এর গভীরতা আর ব্যাপ্তি অনেক বেশি। বন্ধুত্বের কোন সংজ্ঞা হয় না একে সংজ্ঞায়িত করা যায় না । এরিস্টটলের মতো করে বলতে হয় বন্ধুত্ব মানে বিশ্বাস, বন্ধুত্ব মানে পরস্পরের মাঝে সহযোগিতা, বন্ধুত্ব মানে বিপদে পাশে থাকা, সুখে-দুঃখে এক থাকা। জীবনের কোনো বাঁকে নয়, বন্ধুত্বের ব্যাপ্তি সারাজীবন। আমি বন্ধুত্বটাকে দেখি জীবনে অক্সিজেনের মতো। যে কথা কাউকে বলা যায় না, সেই গোপন কথা নিশ্চিন্তে বলা যায় বন্ধুর সাথে। অক্সিজেন ছাড়া যেমন বাচা যায় না জীবনে তেমনি বন্ধু ছাড়া বাচা যায় না । এই ভাবে আমি মানি বন্ধুত্বটাকে আর আমি আশা করি আমায় ও যে বন্ধুত্ব ভাব্বে সে ও আমায় তার জীবনের অক্সিজেন হিসেবে ভেবে নিবে ‘বন্ধু’ শব্দটি যতই ছোট হোক, এর গভীরতা আর ব্যাপ্তি অনেক বেশি। বন্ধুত্বের কোন সংজ্ঞা হয় না একে সংজ্ঞায়িত করা যায় না । এরিস্টটলের মতো করে বলতে হয় বন্ধুত্ব মানে বিশ্বাস, বন্ধুত্ব মানে পরস্পরের মাঝে সহযোগিতা, বন্ধুত্ব মানে বিপদে পাশে থাকা, সুখে-দুঃখে এক থাকা। জীবনের কোনো বাঁকে নয়, বন্ধুত্বের ব্যাপ্তি সারাজীবন। আমি বন্ধুত্বটাকে দেখি জীবনে অক্সিজেনের মতো। যে কথা কাউকে বলা যায় না, সেই গোপন কথা নিশ্চিন্তে বলা যায় বন্ধুর সাথে। অক্সিজেন ছাড়া যেমন বাচা যায় না জীবনে তেমনি বন্ধু ছাড়া বাচা যায় না । এই ভাবে আমি মানি বন্ধুত্বটাকে আর আমি আশা করি আমায় ও যে বন্ধুত্ব ভাব্বে সে ও আমায় তার জীবনের অক্সিজেন হিসেবে ভেবে নিবে
06 জানুয়ারি 2021 উত্তর প্রদান করেছেন (বিশারদ) (3,812 পয়েন্ট)
খুব সুন্দর বলেছেন!
06 জানুয়ারি 2021 মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (পন্ডিত) (12,493 পয়েন্ট)

সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুচ্ছ

14 টি উত্তর
16 সেপ্টেম্বর 2019 "মতামত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন MdAUKhan (বিশারদ) (3,545 পয়েন্ট)
1 উত্তর
29 জুন 2020 "মতামত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন নাহিয়ান (বিশারদ) (1,177 পয়েন্ট)
0 টি উত্তর
10 অগাস্ট 2022 "মতামত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Ariyan Khan Habil (জ্ঞানী) (720 পয়েন্ট)
4 টি উত্তর
30 এপ্রিল 2020 "মতামত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Robiul Islam Raby (বিশারদ) (2,083 পয়েন্ট)

18,654 টি প্রশ্ন

19,525 টি উত্তর

2,578 টি মন্তব্য

103,471 জন সদস্য

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

এক প্ল্যাটফর্মে কন্টেন্ট/লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি আর ফ্রী প্রমোশন!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার ধারণাটাই বদলে দিবে! (পড়ুন...)

আপনি কি জানেন—প্রতি সেকেন্ডে কারও না কারও লেখা চুরি হচ্ছে? আপনার লেখাগুলো কি নিরাপদ? যখন লেখা ছড়িয়ে থাকে—সোশ্যাল মিডিয়া, ব্লগ কিংবা সংবাদপত্রে—হযবরল অগোছালো অবস্থায়… তখন একদিকে চুরির ভয়, অন্যদিকে লেখক হারান নিজের পরিচয়। প্রমাণও থাকে না। পাঠকও বা কিভাবে পাবে মূল লেখকের সংস্পর্শ?

ই-নলেজ আইডিয়া—আপনার কেন্দ্রীয় লেখালেখির ঠিকানা। প্রতিটি লেখার জন্য থাকছে ভেরিফাইড পোষ্ট আইডি (eID), আর আপনার জন্য কেন্দ্রীয় লেখক আইডি নম্বর—যেটা ব্যবহার করতে পারেন Bio, CV, কিংবা বই-র রেফারেন্সে। আর ই-আইডি(eID) জুড়ে দিবেন প্রতিটি লেখার সঙ্গে। (যেমন- পোষ্ট eID: ১২৩ ; #eID_123 #enolej)। ফলে কপিরাইট সুরক্ষা থাকবে নিশ্চিত, আর পাঠক থাকবে মূল লেখকের সংস্পর্শে। আর ভেরিফাই হলে করতে পারবেন আপনার পেজ কিংবা ব্লগ এর ফ্রী প্রমোশন!

আপনার লেখক প্রোফাইলেই থাকবে আপনার আর্কাইভ—সব লেখা, ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি আর পাঠকের প্রতিক্রিয়া সুশৃঙ্খলভাবে গোছানো।

এখানে আপনি একা নন, পাচ্ছেন লেখক কমিউনিটি। বিভিন্ন জায়গায়, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে হাজারো লেখক ছড়িয়ে থাকলেও কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম একটাই—যেখানে আপনার স্বত্ব, স্বীকৃতি আর অবস্থান সুরক্ষিত। কেউ কারও eID নকল করতে পারবেনা, কেন্দ্রীয় সোর্স একটাই। এখানেই থাকছে লেখক র‍্যাংক—যেখানে তুলনায় ঝলমল করে উঠবে আপনার কৃতিত্ব।

এটাই আপনার কেন্দ্রীয় ঠিকানা। ভেরিফাই করুন আজই—আপনার লেখাকে দিন স্থায়ী সুরক্ষা।

বিস্তারিত পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

ই-নলেজ কুয়েরি বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট। এখানে আপনি প্রশ্ন-উত্তর করার মাধ্যমে নিজের সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি দিতে পারেন অন্যদের সমস্যার নির্ভরযোগ্য সমাধান! বিভিন্ন ব্যক্তিগত সমস্যা, পড়ালেখা, ধর্মীয় ব্যাখ্যা, বিজ্ঞান বিষয়ক, সাধারণ জ্ঞান, ইন্টারনেট, দৈনন্দিন নানান সমস্যা সহ সকল বিষয়ে প্রশ্ন-উত্তর করতে পারবেন! প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে বাংলা ভাষায় উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য!
তাই আজই যুক্ত হোন ই-নলেজে আর বাড়িয়ে দিন আপনার জ্ঞানের গভীরতা...!
Empowering Novel Learners with Joy (Enolej)


...