person
!
প্রোফাইল আপডেট

আচিল হলে কি করব?

28 অক্টোবর 2020 "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (বিশারদ) (1,746 পয়েন্ট) 925 বার প্রদর্শিত

লিংক কপি হয়েছে!

1 উত্তর

2 পছন্দ 0 অপছন্দ
সাধারণ আঁচিল ছোট, শক্ত ও গোটার মতো ত্বকের উপর ওঠে - বিশেষত হাতে এবং আঙ্গুলে। প্লান্টার ওয়ার্ট বা প্লান্টার আঁচিল সাধারণ আঁচিলের মতোই শক্ত ধরনের গোটা, কিন্তু সেটা জন্ম নেয় পায়ের পাতায়, এবং মাঝে মধ্যে হাঁটা চলাকে কষ্টকর করে তোলে। যৌনাঙ্গের আঁচিল পাতলা, ছোট গোটা, গোলাকৃতি কিংবা চেপ্টাকৃতি, কখনও কখনও একসাথে অনেকগুলো - যেগুলো যৌনাঙ্গের উপর কিংবা আশে পাশে জন্মে। চেপ্টাকৃতি আঁচিল প্রায় কয়েকশ ক্ষুদ্রাকৃতি, চেপ্টা গোটা যেগুলো একসাথে মুখে, গলায়, বুকে, হাঁটুতে, হাতে, কোমরে কিংবা বাহুতে জন্মে। ফিলিফর্ম ওয়ার্ট বা ফিলিফর্ম আঁচিল পাতলা, সূতোর মতো গোটার জন্ম যেটা সাধারণত মুখ কিংবা গলা থেকে উৎপত্তি হয়। কী করা উচিত ১. যদি আঁচিল নিয়ে আপনার মনে কোন অস্বস্তি না থাকে সেক্ষেত্রে এগুলো নিয়ে তেমন চিন্তার কিছু নেই; এগুলো ক্ষতিকর নয়। যদি আঁচিল নিয়ে আপনি অস্বস্তি বোধ করেন, সেক্ষেত্রে আপনি ঘরে বসে সেগুলোকে অপসারণের চেষ্টা করলে ভালো ফলই পাবেন। তবে আপনার বয়স যদি ৪৫-এর বেশি হয় এবং আপনার শরীরে যদি নতুন আঁচিল জন্ম নেয় সেক্ষেত্রে ঘরোয়া চিকিৎসার আগে ডাক্তারি পরামর্শ নিন। ২. মুখের বা যৌনাঙ্গের আঁচিল দূর করার স্বীকৃত পদ্ধতি হলো ফার্মেসিতে পাওয়া যায় এরকম ওয়ার্ট রিমুভার (সালিসাইলিক এসিড) -এর ব্যবহার। এটা মৃদুভাবে আঁচিলের শক্ত আবরণটাকে অপসারণ করে যদি না ইতিমধ্যেই শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা ভেতরের ভাইরাসটাকে নিজ থেকেই অপসারণ করতে না পারছে। ৩. প্লান্টার ওয়ার্ট ত্বকের নিচে প্রায়ই বিস্তার ঘটায়; তাই এই আঁচিল অপসারণের জন্যে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিতে হতে পারে আপনাকে। তবে সাময়ীক অসুবিধা দূর করার লক্ষ্যে জুতোর ভেতরে প্যাডযুক্ত সোল পড়া যেতে পারে। কখন ডাক্তার দেখাবেন ১. যদি আপনার আঁচিলগুলো ঘরোয়া চিকিৎসার পরও সেরে না ওঠে, বরং রক্তপাত হয় এবং ওগুলোর রঙ পরিবর্তিত হয়। ২. যদি আপনার বা আপনার জীবনসঙ্গীর যৌনাঙ্গে আঁচিল থাকে সেক্ষেত্রে এটা সংক্রামক আকার ধারণ করতে পারে এবং এটা নারীদের সারভিকল (গর্ভাশয়ের অংশ) ক্যান্সারের কারণও হয়ে উঠতে পারে। ৩. যদি আপনার বয়স ৪৫-এর বেশি হয় এবং আপনার দেহে নতুন আঁচিল জন্ম নেয়। সেক্ষেত্রে আপনার স্কিন ক্যান্সার হয়েছে কিনা সেটা জানার জন্য ডাক্তার হয়তো আপনার ত্বক পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে পারে। ৪. যদি আপনি আপনার মুখের আঁচিলগুলো অপসারণ করতে চান, কিন্তু মুখে কোনো দাগ বা ক্ষতের সৃষ্টি হোক এরকম ঝুঁকির মধ্যে যেতে না চান। কীভাবে প্রতিরোধ করবেন ১. যদি আপনার শরীরে আঁচিল থাকে তবে সেগুলোতে খোঁচাখুচি করবেন না, কেননা সেক্ষেত্রে এগুলো সংক্রামিত হতে পারে। ২. অন্য মানুষের আঁচিল স্পর্শ করবেন না। ৩. শেভ করার সময় বা দাড়ি কামাবার সময় ইলেক্ট্রিক রেজার ব্যবহার করতে পারেন যাতে আঁচিলের মাথাটা কাটা না পরে, কেননা সেক্ষেত্রে ভাইরাস সংক্রামণের সুযোগ ঘটে যায়। ৪. পাবলিক টয়লেট, কিংবা হোটেল, রেস্টুরেন্টের ওয়াশরুমে অবশ্যই পায়ে স্যান্ডেল কিংবা জুতো পড়ে থাকবেন।

তথ্যসূত্রঃhttps://web.facebook.com/DEHO.TRI.BD/posts/1987318367382/?_rdc=1&_rdr
28 অক্টোবর 2020 উত্তর প্রদান করেছেন (বিশারদ) (1,746 পয়েন্ট)
04 নভেম্বর 2020 সম্পাদিত করেছেন
হুবুহু কপি করা উচিত নয়! এভাবে কপি করলে তথ্যসূত্র যুক্ত করা বাধ্যতামূলক।নয়তো লুক্কায়িত করা হবে।
29 অক্টোবর 2020 মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (বিশারদ) (3,545 পয়েন্ট)

সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
27 সেপ্টেম্বর 2020 "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Anisa Islam (বিশারদ) (1,746 পয়েন্ট)
0 টি উত্তর
22 ফেব্রুয়ারি 2023 "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল

18,653 টি প্রশ্ন

19,566 টি উত্তর

2,578 টি মন্তব্য

103,475 জন সদস্য

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

এক প্ল্যাটফর্মে কন্টেন্ট/লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি আর ফ্রী প্রমোশন!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার ধারণাটাই বদলে দিবে! (পড়ুন...)

আপনি কি জানেন—প্রতি সেকেন্ডে কারও না কারও লেখা চুরি হচ্ছে? আপনার লেখাগুলো কি নিরাপদ? যখন লেখা ছড়িয়ে থাকে—সোশ্যাল মিডিয়া, ব্লগ কিংবা সংবাদপত্রে—হযবরল অগোছালো অবস্থায়… তখন একদিকে চুরির ভয়, অন্যদিকে লেখক হারান নিজের পরিচয়। প্রমাণও থাকে না। পাঠকও বা কিভাবে পাবে মূল লেখকের সংস্পর্শ?

ই-নলেজ আইডিয়া—আপনার কেন্দ্রীয় লেখালেখির ঠিকানা। প্রতিটি লেখার জন্য থাকছে ভেরিফাইড পোষ্ট আইডি (eID), আর আপনার জন্য কেন্দ্রীয় লেখক আইডি নম্বর—যেটা ব্যবহার করতে পারেন Bio, CV, কিংবা বই-র রেফারেন্সে। আর ই-আইডি(eID) জুড়ে দিবেন প্রতিটি লেখার সঙ্গে। (যেমন- পোষ্ট eID: ১২৩ ; #eID_123 #enolej)। ফলে কপিরাইট সুরক্ষা থাকবে নিশ্চিত, আর পাঠক থাকবে মূল লেখকের সংস্পর্শে। আর ভেরিফাই হলে করতে পারবেন আপনার পেজ কিংবা ব্লগ এর ফ্রী প্রমোশন!

আপনার লেখক প্রোফাইলেই থাকবে আপনার আর্কাইভ—সব লেখা, ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি আর পাঠকের প্রতিক্রিয়া সুশৃঙ্খলভাবে গোছানো।

এখানে আপনি একা নন, পাচ্ছেন লেখক কমিউনিটি। বিভিন্ন জায়গায়, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে হাজারো লেখক ছড়িয়ে থাকলেও কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম একটাই—যেখানে আপনার স্বত্ব, স্বীকৃতি আর অবস্থান সুরক্ষিত। কেউ কারও eID নকল করতে পারবেনা, কেন্দ্রীয় সোর্স একটাই। এখানেই থাকছে লেখক র‍্যাংক—যেখানে তুলনায় ঝলমল করে উঠবে আপনার কৃতিত্ব।

এটাই আপনার কেন্দ্রীয় ঠিকানা। ভেরিফাই করুন আজই—আপনার লেখাকে দিন স্থায়ী সুরক্ষা।

বিস্তারিত পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

ই-নলেজ কুয়েরি বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট। এখানে আপনি প্রশ্ন-উত্তর করার মাধ্যমে নিজের সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি দিতে পারেন অন্যদের সমস্যার নির্ভরযোগ্য সমাধান! বিভিন্ন ব্যক্তিগত সমস্যা, পড়ালেখা, ধর্মীয় ব্যাখ্যা, বিজ্ঞান বিষয়ক, সাধারণ জ্ঞান, ইন্টারনেট, দৈনন্দিন নানান সমস্যা সহ সকল বিষয়ে প্রশ্ন-উত্তর করতে পারবেন! প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে বাংলা ভাষায় উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য!
তাই আজই যুক্ত হোন ই-নলেজে আর বাড়িয়ে দিন আপনার জ্ঞানের গভীরতা...!
Empowering Novel Learners with Joy (Enolej)


...