﻿<?xml version="1.0" encoding="utf-8"?>
<rss version="2.0">
<channel>
<title>Enolej Query -  সিয়াম এ সাম্প্রতিক প্রশ্ন এবং উত্তরসমূহ</title>
<link>https://enolej.com/qa/qa/%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE-%E0%A6%93-%E0%A6%86%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8/%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE/%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE</link>
<description>Powered by Question2Answer</description>
<item>
<title>উত্তরিত:সমজানে ৩০রোযার ফজিলত সম্পর্কে জানত্ব চাই?</title>
<link>https://enolej.com/qa/44121/?show=44122#a44122</link>
<description>১ম রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
রমজানের প্রথম রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয় – ”রোজাদারকে নবজাতকের মত নিষ্পাপ করে দেওয়া হয়।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২য় রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
রমজানের দ্বিতীয় রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয় – ”রোজাদারের মা -বাবাকে মাফ করে দেওয়া হয়।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৩য় রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
রমজানের তৃতীয় রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয় – “একজন ফেরেশতা আবারও রোজাদারের ক্ষমার ঘোষনা দেয়।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৪র্থ রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রমজানের চতুর্থ রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয় – “রোজাদারকে আসমানী বড় বড় চার কিতাবের বর্ণ সমান সাওয়াব প্রদান করা হয়।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৫ম রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
রমজানের পঞ্চম রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয় – “মক্কা নগরীর মসজিদে হারামে নামাজ আদায়ের সাওয়াব দেওয়া হয়।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৬ষ্ঠ রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
রমজানের ষষ্ঠ রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয় – “ফেরেশতাদের সাথে ৭ম. আকাশে অবস্থিত বাইতুল মামূর তাওয়াফের সাওয়াব প্রদান করা হয়।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৭ম রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
রমজানের সপ্তম রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয় – “ফিরাউনের বিরুদ্ধে মুসা আঃ এর পক্ষে সহযোগিতা করার সমান সাওয়াব প্রদান করা হয়।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৮ম রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
রমজান মাসের অষ্টম রোজার ফজিলত সম্পর্কে এভাবে বলা হয় যে, – “রোজাদারের উপর হযরত ইবরাহীম আঃ এর মতো রহমত- বর্ষিত হয়।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৯ম রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রমজান মাসের নবম রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয় – “নবী-রাসূলদের সাথে দাড়িয়ে ইবাদতের সমান সওয়াব দেওয়া হয়।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১০ম রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
রমজানের দশম রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয় – “রোজাদারকে উভয় জাহানের কল্যাণ দান করা হয়।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১১ তম রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
রমজান মাসের ১১ নম্বর রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয় – “রোজাদারের মৃত্যু নবজাতকের ন্যায় নিষ্পাপ নিশ্চিত হয়।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১২ তম রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
রমজানের ১২ তারিখের রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয় – “হাশরের ময়দানে রোজাদারের চেহারা পূর্ণিমা চাদের মতো উজ্জল করা হবে।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৩ তম রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
রমজানের ১৩ নম্বর রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয় – “হাশরের ময়দানের সকল বিপদ থেকে নিরাপদ করা হবে।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৪ তম রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
রমজানের ১৪ তারিখের রোজার ফজিলত সম্পর্কে এভাবে বলা হয় – “হাশরের ময়দানে হিসাব- নিকাশ সহজ করা হবে।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৫ তম রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
রমজানের ১৫ নম্বর রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয় – “সমস্ত ফিরিস্তারা রোজাদারের জন্য দোয়া করে।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৬ তম রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
রমজান মাসের ১৬ তারিখের রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয় – “আল্লাহপাক রোজাদারকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি এবং জান্নাতে প্রবেশের অনুমতি প্রদান করেন।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৭ তম রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
রমজানের ১৭ তারিখের রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয় – “একদিনের জন্য নবীগনের সমান সাওয়াব দেওয়া হবে।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৮ তম রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
রমজানের ১৮ নম্বর রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয় – “রোজাদার এবং তার মা-বাবার প্রতি আল্লাহর সন্তুষ্টির সংবাদ দেওয়া হয়।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯ তম রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
রমজানের ১৯ নম্বর রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয় – “পৃথিবীর সকল পাথর-কংকর টিলা- টংকর রোজাদারের জন্য দোয়া করতে থাকে।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০ তম রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
রমজানের ২০ রোজার ফজিলত সম্পর্কে এভাবে বলা হয় – “আল্লাহরপথে জীবন দানকারী শহীদের সমান সাওয়াব প্রদান করা হয়।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২১ তম রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
২১ শে রমজানের রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয় – “রোজাদারের জন্য জান্নাতে একটি উজ্জল প্রাসাদ নির্মান করা হয়।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২২ তম রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
২২ শে রমজানের রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয় – “হাশরের ময়দানের সকল চিন্তা থেকে মুক্ত করা হয়।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২৩ তম রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
রমজানের ২৩ তারিখের রোজার ফজিলতের বর্ণনা এভাবে বলা হয় – “জান্নাতে রোজাদারের জন্য একটি শহর নির্মান করা হয়।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২৪ তম রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
রমজানের ২৪ তারিখের রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয় – “রোজাদারের যে কোন 24টি দোয়া কবুল করা হয়।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২৫ তম রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
২৫ রমজানের রোজার ফজিলত সম্পর্কে স্বতন্ত্রভাবে বলা হয় – “কবরের শাস্তি চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হয়।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২৬ তম রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
রমজানের ২৬ তারিখের রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয় যে, – ”৪০ বছর ইবাদতের সমান সওয়াব প্রদান করা হয়।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২৭ তম রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
২৭ শে রমজানের রোজার ফজিলতের বর্ণনা এভাবে করা হয় – “চোখের পলকে পুলসিরাত পার করে দেওয়া হয়।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২৮ তম রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
রমজানের ২৮ তারিখের রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয় – “জান্নাতের নেয়ামত দ্বিগুন করা হয়।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২৯ তম রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
২৯ শে রমজানের রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয় – “এক হাজার কবুল হজ্জের সাওয়াব প্রদান করা হয়।”&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৩০ তম রোজার ফজিলত&lt;br /&gt;
আর রমজানের ৩০ তারিখ অর্থাৎ শেষ রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয় – ”পুরো রমজানের ফজিলত দ্বিগুণ করা হয়।”</description>
<category>সিয়াম</category>
<guid isPermaLink="true">https://enolej.com/qa/44121/?show=44122#a44122</guid>
<pubDate>Thu, 14 Mar 2024 12:20:17 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>উত্তরিত:সেহরি না খেলে রোজা হবে কিনা?</title>
<link>https://enolej.com/qa/25114/?show=44085#a44085</link>
<description>

&lt;p&gt;
	সেহরি অত্যন্ত বরকতময় খাবার এবং সেহরি খাওয়া সুন্নত।সেহরি না খেয়ে রোজা রাখা জায়েজ হবে, এতে কোনো আপত্তি নেই।
&lt;/p&gt;


&lt;p&gt;
	রোজা রাখার জন্য সেহরি খাওয়া জরুরি নয়। বুখারি শরীফের ১৯২৩ নং হাদীসে বর্ণীত, নবী করীম (সা.) বলেন, তোমরা সেহরি খাও, কারণ সেহরিতে বরকত রয়েছে। সুতরাং সেহরী না খেলে সুন্নাত আদায় হয় না। তবে রোজার কোন ক্ষতি হয় না। রোজা হয়ে যায়।
&lt;/p&gt;


&lt;p&gt;
	মুসলিম শরীফের ২৬০৪ নং হাদীসে রয়েছে, নবী করীম (সা.) বলেন, আমাদের ও ইহুদী-নাসারাদের রোজার পার্থক্য হলো সেহরি খাওয়া। আর তাই সেহরির গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে নবী করীম (সা.) আরও বলেন, এক ঢুক পানি দিয়ে হলেও সেহরি গ্রহণ করো।
&lt;/p&gt;


&lt;p&gt;
	
&lt;br&gt;
&lt;/p&gt;


&lt;p&gt;
	সেহরি খুব ভালো মতো না খেলে তা হবে না, এমনটা ভাবা যাবে না। যদি কেউ জাগতে না পারেন, এমনকি ফজরের ওয়াক্ত হয়ে যায়। তখনও সেহরি গ্রহণ করতে না পারার অজুহাতে রোজা ছেড়ে দেয়া যাবে না। &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.jagonews24.com/ramadan&quot;&gt;সেহরির সময় শেষ হওয়ার পূর্বে&lt;/a&gt; যদি একটু পানিও পান করা যায়। তবে তাই করতে হবে। এতেই সুন্নাত আদায় হয়ে যাবে।
&lt;/p&gt;</description>
<category>সিয়াম</category>
<guid isPermaLink="true">https://enolej.com/qa/25114/?show=44085#a44085</guid>
<pubDate>Sun, 03 Mar 2024 20:15:01 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>উত্তরিত:রোজা ভাঙ্গার ও মাকরুহ হওয়ার কারণ সমূহ কি কি?</title>
<link>https://enolej.com/qa/24884/?show=44086#a44086</link>
<description>

&lt;p&gt;
	&lt;strong&gt;রোজা ভঙ্গের কারণ:&lt;/strong&gt;
&lt;/p&gt;

&lt;ul&gt;
		

&lt;li&gt;
			১. ইচ্ছা করে বমি করা
		&lt;/li&gt;
		

&lt;li&gt;
			২. বমির বেশির ভাগ মুখে আসার পর তা গিলে ফেলা
		&lt;/li&gt;
		

&lt;li&gt;
			৩. মেয়েদের মাসিক ও সন্তান প্রসবের পর ঋতুস্রাব
		&lt;/li&gt;
		

&lt;li&gt;
			৪. ইসলাম ত্যাগ করলে
		&lt;/li&gt;
		

&lt;li&gt;
			৫. গ্লুকোজ বা শক্তিবর্ধক ইনজেকশন বা সেলাইন দিলে
		&lt;/li&gt;
		

&lt;li&gt;
			৬. প্রস্রাব-পায়খানার রাস্তা দিয়ে ওষুধ বা অন্য কিছু শরীরে প্রবেশ করালে
		&lt;/li&gt;
		

&lt;li&gt;
			৭. রোজাদারকে জোর করে কেউ কিছু খাওয়ালে
		&lt;/li&gt;
		

&lt;li&gt;
			৮. ইফতারের সময় হয়েছে ভেবে সূর্যাস্তের আগে ইফতার করলে
		&lt;/li&gt;
		

&lt;li&gt;
			৯. মুখ ভরে বমি করলে
		&lt;/li&gt;
		

&lt;li&gt;
			১০. ভুলবশত কোনো কিছু খেয়ে, &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.jagonews24.com/religion/islam/844082&quot;&gt;রোজা ভেঙে গেছে ভেবে &lt;/a&gt;ইচ্ছা করে আরও কিছু খেলে
		&lt;/li&gt;
		

&lt;li&gt;
			১১. বৃষ্টির পানি মুখে পড়ার পর তা খেয়ে ফেললে
		&lt;/li&gt;
		

&lt;li&gt;
			১২. কান বা নাক দিয়ে ওষুধ প্রবেশ করালে 
		&lt;/li&gt;
		

&lt;li&gt;
			১৩. জিহ্বা দিয়ে দাঁতের ফাঁক থেকে ছোলা পরিমাণ কোনো কিছু বের করে খেয়ে ফেললে
		&lt;/li&gt;
		

&lt;li&gt;
			১৪. অল্প বমি মুখে আসার পর ইচ্ছাকৃতভাবে তা গিলে ফেললে
		&lt;/li&gt;
		

&lt;li&gt;
			১৫. রোজা স্মরণ থাকা অবস্থায় অজুতে কুলি বা নাকে পানি দেয়ার সময় ভেতরে পানি চলে গেলে।
		&lt;/li&gt;
	&lt;/ul&gt;



&lt;p&gt;
	দেখে নিতে পারেন &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.jagonews24.com/ramadan&quot;&gt;সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৪&lt;/a&gt;
&lt;/p&gt;


&lt;p&gt;
	
&lt;br&gt;
&lt;/p&gt;


&lt;p&gt;
	&lt;strong&gt;যেসব কারণে রোজা ভাঙ্গে না, তবে মাকরূহ হয়ে যায়:&lt;/strong&gt;
&lt;/p&gt;


&lt;p&gt;
	
&lt;br&gt;
&lt;/p&gt;

&lt;ul&gt;
		

&lt;li&gt;
			(১) গড়গড়া কুলি করা অথবা নাকে বেশি গভীরে পানি দেওয়া।
		&lt;/li&gt;
		

&lt;li&gt;
			(২) অপ্রয়োজনে কোন জিনিস চিবানো।
		&lt;/li&gt;
		

&lt;li&gt;
			(৩) তরকারি, তৈরিকৃত খাবার ইত্যাদির স্বাদ গ্রহণ করে ফেলে দেয়া। তবে কোন চাকরের মুনিব বা কোন নারীর স্বামী বদ মেজাজী হলে জিহ্বার অগ্রভাগ দিয়ে লবন চেখে তা ফেলে দেওয়ার অবকাশ আছে।
		&lt;/li&gt;
		

&lt;li&gt;
			(৪) পরনিন্দা করা, মিথ্যা বলা, চোগলখুরী করা, অনর্থক কথাবার্তা বলা, নাটক-সিনেমা দেখা ও যেকোন গুনাহের কাজ করা।
		&lt;/li&gt;
		

&lt;li&gt;
			(৫) গোসল ফরজ হয়েছে, এমন অবস্থায় নাপাক থেকে সারাদিন অতিবাহিত করা।
		&lt;/li&gt;
		

&lt;li&gt;
			(৬) রোগী বা কোন পরীক্ষার জন্য শরীর দুর্বল হয়ে যায়, এমন পরিমাণ রক্ত দেওয়া।
		&lt;/li&gt;
		

&lt;li&gt;
			(৭) রোজা অবস্থায় টুথপেস্ট-মাজন ব্যবহার করা মাকরুহ। কেননা তা কণ্ঠনালীতে প্রবেশ করলে রোজা ভেঙ্গে যায়।
		&lt;/li&gt;
		

&lt;li&gt;
			(৮) রোজা অবস্থায় ঝগড়া করা, গালি-গালাজ করা।
		&lt;/li&gt;
		

&lt;li&gt;
			(৯) মুখে অধিক পরিমাণ থুথু একত্রে গিলে ফেলা ।
		&lt;/li&gt;
		

&lt;li&gt;
			(১০) দাঁতে ছোলা/বুটের চেয়ে ছোট কোন বস্তু আটকে থাকলে তা বের করে মুখের ভিতর থাকা অবস্থায় গিলে ফেলা।
		&lt;/li&gt;
		

&lt;li&gt;
			(১১) নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকবে না এরূপ মনে হওয়া সত্ত্বেও স্ত্রীকে চুম্বন করা ও আলিঙ্গন করা। আর রোজা অবস্থায় স্ত্রীর ঠোঁট মুখে নেয়া সর্বাবস্থায় মাকরূহ।
		&lt;/li&gt;
		

&lt;li&gt;
			(১২) নিজের মুখ দিয়ে চিবিয়ে কোন বস্তু শিশুর মুখে দেয়া। তবে অনন্যোপায় হয়ে করলে অসুবিধা নাই।
		&lt;/li&gt;
		

&lt;li&gt;
			(১৩) ঠোটে লিপিস্টিক লাগালে যদি মুখের ভিতর চলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে তাহলে তা মাকরূহ।
		&lt;/li&gt;
	&lt;/ul&gt;
</description>
<category>সিয়াম</category>
<guid isPermaLink="true">https://enolej.com/qa/24884/?show=44086#a44086</guid>
<pubDate>Sun, 03 Mar 2024 20:14:53 +0000</pubDate>
</item>
</channel>
</rss>